Books - International Archives
và chúa sọ
Sangue Inocente (A Ordem dos Sanguíneos)
Após descobrir a existência de um Evangelho escrito por Jesus Cristo e se envolver com a misteriosa Ordem dos Sanguinistas, a arqueóloga Erin Granger tenta retomar sua rotina como professora universitária nos Estados Unidos, até que uma série de acontecimentos estranhos na Califórnia e em Roma fazem com que ela busque mais uma vez a ajuda da obscura organização e do sargento Jordan Stone.
স্যান্ডস্টর্ম
ব্যাখ্যার অতীত এক বিস্ফোরণে কেঁপে উঠল লন্ডন মিউজিয়াম।
নড়ে-চড়ে বসল বিশ্বের বেশ কয়েকটি গোপন সংগঠন। প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে বের হলো লেডী কারা কেনসিংটন, সুন্দরী এবং বিদূষী ড. সাফিয়া আল-মায়াজ এবং নামকরা প্রত্নতাত্ত্বিক ওমাহা ডান। প্রবেশ করল এমন এক শহরে যা কল্পনাকেও হার মানায়। কিন্তু ওদের পিছু পিছু ধেয়ে এসেছে অন্যান্যরা। যাদের উদ্দেশ্য-সারা দুনিয়া জুড়ে বয়ে আনবে বিশৃংখলা। সেই সাথে আরব মরুভূমির বিপদ তো আছেই।
সবার লক্ষ্যই এক-এমন এক ক্ষমতার উৎস খুঁজে বের করা, যেটা দুনিয়াকে পড়িণত করতে পারবে স্বর্গে অথবা ধ্বংস করে দেবে মানব সভ্যতাকে!
কে জিতবে শেষ পর্যন্ত?
দ্য জুডাস
ইন্দোনেশিয়ান দ্বীপপুঞ্জের ক্রিসমাস আইল্যান্ডসহ সংশ্লিষ্ট সাগরে ছড়িয়ে পড়ছে এক অদ্ভুত রোগ। জলজ প্রাণীর পাশাপাশি আক্রান্ত হচ্ছে দ্বীপবাসীরাও। তদন্ত করতে পাঠানো হলো ছায়ার আড়ালে থেকে কাজ করা সিগমা ফোর্সের সদস্য ড. লিসা কামিংস আর মঙ্ক কক্কালিসকে। ভয়াবহ প্লেগকে সামলাবার জন্য হাসপাতালে পরিণত করা বিলাসী এক জাহাজকে আস্তানা বানাল ওরা। কিন্তু জলদস্যুদের আচমকা আক্রমণে প্রাণ বাঁচানো হাসপাতাল রূপ নিলো প্রাণঘাতি জৈব-রাসায়ানিক অস্ত্র বানানোর ল্যাবে! গবেষণা করতে এসে নিজেদের জীবন নিয়েই টানাটানি লেগে গেল, অপহরণ করা হল তাদের।
এদিকে এক আকস্মিক মোটর সাইকেল দুর্ঘটনার শিকার হয়ে সিগমা কমান্ডার গ্রেসন পিয়ার্সের ঘাড়ে চেপে বসল দুর্ধর্ষ গিল্ড এজেন্ট সেইচান। আকস্মিক উপস্থিতির চেয়েও বেশী অদ্ভুত ওর আকুতি। ও চায় গ্রে-কে সাথে নিয়ে আসন্ন দুর্যোগের হাত থেকে পৃথিবীকে বাঁচাতে। এদিকে গ্রে-র কাঁধে চেপে বসেছে বাবা-মার নিরাপত্তার ভয়, সেই সাথে মাথায় ঝুলে আছে গ্রেফতারি পরোয়ানা।
গোটা দুনিয়া জুড়ে ছড়িয়ে পড়তে চলেছে বিধ্বংসী এক ভাইরাস “দ্য জুডাস স্ট্রেইন”! এই জীবনঘাতী ভাইরাসকে হাতের মুঠোয় আনতে আস্তে আস্তে জাল গুটিয়ে আনছে সিগমার চিরশত্রু, রহস্যময় গুপ্তসংগঠন-দ্য গিল্ড।
এসব কিছুর সাথে ভাইরাসে আক্রান্ত মেরিন বায়োলজিস্ট সুজান টিউনিসের কী সম্পর্ক ? সত্যিই কি আছে চির রহস্যময় ফেরেশতাদের ভাষা, দ্য অ্যাঞ্জেলিক স্ক্রিপ্টের অস্তিত্ব? আসন্ন মহাপ্রলয় থেকে কে রক্ষা করবে পৃথিবীকে? সব রহস্যের জট লুকিয়ে আছে কম্বোডিয়ায় এক ভাঙা মন্দিরের গুহায়। তবে সেই রহস্য উন্মোচন করতে হলে ফিরে যেতে হবে সুদূর অতীতে, ১২৯৫ সালে, বিখ্যাত অভিযাত্রী মার্কো পোলোর সাথে, তার ভেনিসে প্রত্যাবর্তনের অভিযানে।
ম্যাপ অভ
প্রাচীন রহস্য…এবং বর্তমানের সন্ত্রাসবাদ: দুটোকেই এক সুতোয় গেঁথেছে হাড়গুলো। ওগুলোর পেছনে ছোটা মানে—নিশ্চিত মৃত্যু!
জার্মানির এক ক্যাথেড্রালে, জনাকীর্ণ সার্ভিস চলার সময়, একদল সশস্ত্র অনুপ্রবেশকারী সন্ন্যাসীর ছদ্মবেশে চালাল ধ্বংসলীলা। তবে হত্যাকারীদের লক্ষ্য স্বর্ণ নয়; তার চায় আরও মূল্যবান পুরস্কার: মেজাইদের হাড়, যারা একদা নবজাতক মসিহকে শ্রদ্ধা জানিয়েছিলেন!
সেই হাড়গুলো এমন এক গুপ্তধন, যা বদলে দিতে পারে পুরো বিশ্বের কাঠামো।
অশান্ত ভ্যাটিকানে গ্রেসন পিয়ার্সের নেতৃত্বে সিগমা ফোর্স ঝাঁপিয়ে পড়ল নিজেদের কাজে। এমন এক রহস্যের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ল যা ওদেরকে নিয়ে গেল পৃথিবীর সপ্তাশ্চর্যের একটা থেকে আরেকটায়; শেষ হলো এক প্রাচীন, রহস্যময় এবং ভয়ঙ্কর গুপ্তসঙ্ঘের সামনে এসে। কেননা ওই চোরাই, পবিত্র দেহাবশেষ নিয়ে এমন অনেকের গোপন পরিকল্পনা আছে যা মানব্জাতির ভবিষ্যতটাইকেই বদলে দেবে।
বিজ্ঞান আর ধর্ম হাতে হাত মিলিয়ে এমন এক বিভীষিকাকে সামনে এনে খাড়া করিয়ে দিল, যেমনটা সৃষ্টির সূচনালগ্ন থেকে এখন পর্যন্ত দেখা যায়নি!
দ্য ডুমসডে কি
প্রিন্সটন ইউনিভার্সিটিতে বায়োহ্যাজার্ড ল্যাবে মারা গেলেন নামকরা এক জিন গবেষক।
রোমে এক ভ্যাটিকান প্রত্নতত্ত্ববিদের মৃতদেহ পাওয়া গেল সেন্ট পিটার্স ব্যাসিলিকায়।
অন্যদিকে, আফ্রিকার রেডক্রস ক্যাম্পে নৃশংসভাবে খুন হলো এক ইউএস সিনেটরের ছেলে।
অদ্ভুত মিল পাওয়া গেল এই খুন তিনটার মধ্যে। সবগুলো মৃতদেহের গায়ে বসিয়ে দেয়া হয়েছে ড্রুইডিক প্যাগান ক্রস চিহ্ন!
খুনগুলোর তদন্ত করতে গিয়ে গ্রেসন পিয়ার্স আর তার সিগমা টিম ছুটল যেন সময়ের বিপরীতে, কয়েকশো বছর আগে ঘটে যাওয়া এক ভয়াবহ অপরাধের সামনে—যেটা বদলে দিতে পারত মানবজাতির ইতিহাস।
আর সেই ইতিহাসেরও ইতিহাস লুকিয়ে আছে মধ্যযুগীয় এক দুর্বোধ্য কোডের আড়ালে।
সাবেক প্রেমিকা আর নতুন সহকর্মী—দুই নারীকে নিয়ে সাথে নিয়ে গ্রে নেমে পড়ল সত্য উন্মোচনের বিপজ্জনক বিপজ্জনক খেলায়।
কিন্তু বিজয়ের মূল্য যে অনেক চড়া! অনাগত ভবিষ্যতের বিপদ সামাল দিতে দুজনের যেকোনো একজনকে উৎসর্গ করতে হবে তাকে।
কার বলিদান দেবে গ্রে?
ব্লাডলাইন
গ্যালিলি, ১০২৫, প্রাচীন এক ক্যাথেড্রালে টেম্পলার নাইটদের একজন খুঁজে পেল হাজার বছর ধরে লুকিয়ে রাখা এক নিদর্শন। যেন তেন নয় তা—বাকাল ইশু, যিশু খ্রিষ্টের লাঠি। যার কাছে পাওয়া গেল, তিনিও যেন-তেন কেউ নন। তার দাবী শত শত বছর ধরে পৃথিবীর বুকে হাঁটছেন!
সময়কে এক হাজার বছর সামনে নিয়ে আসি। হর্ন অভ আফ্রিকার উপকূলে সোমালি জলদস্যুরা হাইজ্যাক করল এক ইয়ট, সেই সাথে অপহরণ করল এক গর্ভবতী আমেরিকান মেয়েকে। কমান্ডার গ্রে পিয়ার্সকে মা হারাবার শোক ভুলে নামতে হলো কাজে। কেননা এই মেয়েটি কোনও সাধারণ মেয়ে নয়।
সে যে আমেরিকার প্রেসিডেন্টের মেয়ে!
সময়ের বিরুদ্ধে লড়তে থাকা গ্রের দলের সাথে যোগ দিল আরও দুজন যোদ্ধা: প্রাক্তন আর্মি রেঞ্জার টাকার ওয়েইন আর তার সামরিক প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কুকুর, কেইন।
খোদ আমেরিকার ক্যারোলাইনাতে বোমা বিস্ফোরিত হলো এক ফার্টিলিটি ক্লিনিকে। সর্ষের ভেতর থেকে উঁকি দিল ভূত। জানা গেল, আমাদের জেনেটিক কোড অদল-বদলের চেষ্টায় মত্ত এক গুপ্ত সঙ্ঘ।
মনুষ্যত্বকে উদ্দেশ করে প্রশ্ন ছুঁড়ে দিল সেই সঙ্ঘ: অমর হতে চাও? বাঁচতে চাও চিরদিন?
দ্য কিল সুইচ
নিকৃষ্টকে নিকৃষ্টতমের হাত থেকে রক্ষা করাই ওদের কাজ।
প্রাক্তন আর্মি-রেঞ্জার, টাকার ওয়েইন এবং ওর পার্টনার, বেলজিয়ান শেফার্ড কেইনকে এ কারণেই চেনে সবাই। রাশিয়ান বিলিয়োনিয়ার, বোগদান ফেদোসিভকে গুপ্ত-আততায়ীর হাত থেকে রক্ষা করার পর, রাতের আঁধারে নতুন এক মিশন পেল ওরা…সিগমা কমান্ডার, পেইন্টার ক্রোয়ের কাছ থেকে!
আরেক রাশিয়ান বিলিয়োনিয়ার, প্রখ্যাত বিজ্ঞানী আব্রাম বুকোলভকে বের করে আনতে হবে রাশিয়া থেকে। কিন্তু জানে টাকার, কাজটা এত সহজ হলে ওদেরকে দরকার হতো না সিগমার।
খেয়ালি বিজ্ঞানীর সঙ্গী হয়েছে আনিয়া বুকোলভ ও ল্যাব অ্যাসিস্ট্যান্ট, স্ট্যানিমির উতকিন। একজনকেই যেখানে উদ্ধার করা প্রায় অসম্ভব, সেখানে তিন-তিন জন!
এদিকে অচিরেই জানা গেল, এদের মাঝে রয়েছে একজন বিশ্বাসঘাতক। বুকোলভের পেছনে লাগা জেনারেল আর্তুর খাযরিনের সঙ্গে হাতে-হাত মিলিয়ে কাজ করে চলছে সে।
উদ্দেশ্য?
লুকা।
প্রাগৈতিহাসিক কাল থেকে টিকে আসা লুকাকে মানবতার জন্য আশীর্বাদ হিসেবে ব্যবহার করতে চায় বুকোলভ…কিন্তু খাযরিন দেখতে পাচ্ছে কেবলই তার ধ্বংসাত্মক প্রভাব।
প্রখ্যাত উদ্ভিদবিদ তথা চিকিৎসক তথা বোয়ের যোদ্ধা পাউলোস ডি ক্লার্কের ডায়েরি পাওয়া সূত্র ব্যবহার করে টাকাররা চলল লুকা উদ্ধারে, কিন্তু পিছিয়ে নেই খাযরিনও।
রাশিয়া থেকে দক্ষিণ আফ্রিকা, সেখান থেকে নামিবিয়া হয়ে ওদের অভিযান শেষ হলো আমেরিকার মাটিতে।
কার হলো জয়?
লুকার কথা কি মানুষ ভালবাসার সঙ্গে স্মরণ করবে? নাকি কাঁপবে নামটা শুনে?
দ্য সিক্সথ এক্সটিঙ্কশন
দূরের একটা মিলিটারি রিসার্চ স্টেশন থেকে শোনা গেল একটা নিদারুণ যন্ত্রণাক্লিষ্ট ফোনকল…যার শেষটা হলো একটা হিমশীতল অনুরোধের মাধ্যমে: আমাদের সবাইকে মেরে ফেলুন! কাছের ঘাঁটি থেকে সামরিক বাহিনীর সদস্যরা ছুটে গিয়ে আবিষ্কার করল: স্টেশনের সবাই মৃত…কেবল বিজ্ঞানীরাই নয়, নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে পঞ্চাশ বর্গমাইলের প্রত্যেকটা জীবিত প্রাণ: প্রতিটা প্রাণী, উদ্ভিদ এবং কীটপতঙ্গ…মায় ব্যাকটেরিয়া পর্যন্ত! সম্পূর্ণ নিষ্ফলা হয়ে গেছে জমিন—ছড়িয়ে পড়ছে রোগ। অনিবার্যকে থামাতে কমান্ডার গ্রে পিয়ার্স এবং সিগমাকে এমন এক হুমকির জট খুলতে হবে, যার শেকড় রয়েছে সুদূর অতীতে; যখন অ্যান্টার্কটিকায় ছিল সবুজের রাজত্ব আর পৃথিবীর সমস্ত প্রাণী ছিল বিপদসংকুল অবস্থায় । আলেকজান্দ্রিয়ার হারিয়ে যাওয়া লাইব্রেরি থেকে উদ্ধার করা একটা প্রাচীন মানচিত্র থেকে পাওয়া সূত্র অনুসরণ করে প্রাচীন মহাদেশের সত্যটি আবিষ্কার করে সিগমা…মৃত্যুর নতুন যে রূপ চাপা পড়েছিল বরফের শত শত মাইল নিচে।
হিমায়িত অতীতে লুকিয়ে থাকা সহস্রাব্দ-প্রাচীন গোপন রহস্য থেকে আজকের অন্ধকারাচ্ছন্ন জঙ্গলের গহীনে সমাহিত রহস্য পর্যন্ত…প্রতিটা ক্ষেত্রে এমন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হয়েছে, যার অভিজ্ঞতা সিগমার আজ পর্যন্ত হয়নি: মানবজাতির আসন্ন বিলুপ্তি বন্ধ করা।
কিন্তু…ইতোমধ্যেই কি খুব বেশি দেরি হয়ে গেছে?
Stay Connected to the Story
Sign up and be in the know about upcoming releases, exclusive news, tour appearances, virtual tours, research clues contests and giveaways.
"*" indicates required fields