দ্য সেভেন্থ প্লেগ

ইন্দোনেশিয়ান দ্বীপপুঞ্জের ক্রিসমাস আইল্যান্ডসহ সংশ্লিষ্ট সাগরে ছড়িয়ে পড়ছে এক অদ্ভুত রোগ। জলজ প্রাণীর পাশাপাশি আক্রান্ত হচ্ছে দ্বীপবাসীরাও। তদন্ত করতে পাঠানো হলো ছায়ার আড়ালে থেকে কাজ করা সিগমা ফোর্সের সদস্য ড. লিসা কামিংস আর মঙ্ক কক্কালিসকে। ভয়াবহ প্লেগকে সামলাবার জন্য হাসপাতালে পরিণত করা বিলাসী এক জাহাজকে আস্তানা বানাল ওরা। কিন্তু জলদস্যুদের আচমকা আক্রমণে প্রাণ বাঁচানো হাসপাতাল রূপ নিলো প্রাণঘাতি জৈব-রাসায়ানিক অস্ত্র বানানোর ল্যাবে! গবেষণা করতে এসে নিজেদের জীবন নিয়েই টানাটানি লেগে গেল, অপহরণ করা হল তাদের।

ক্রুসিবল

ক্রিসমাসের সন্ধ্যায় ঘরে ফিরে কমান্ডার গ্রেসন পিয়ার্স দেখল: বাড়িঘরের অবস্থা লণ্ডভণ্ড! গর্ভবতী প্রেমিকা শেইচান নিখোঁজ, রান্নাঘরের মেঝেতে অজ্ঞান হয়ে পড়ে আছে প্রিয় বন্ধুর স্ত্রী এবং সিগমা ফোর্সের সেকেন্ড-ইন-কমান্ড, ক্যাট ব্রায়ান্ট। কী হয়েছে তা জানার একমাত্র উপায় সে-ই।
কিন্তু কীভাবে জানাবে ক্যাট?

অবশেষে গবেষকদের অক্লান্ত চেষ্টায় খোলা হলো অজ্ঞান ক্যাটের মস্তিষ্কের তালা। কিন্তু শর্ত আছে…প্রশ্ন করা যাবে মাত্র হাতেগোনা কয়েকটা।
সেই প্রশ্নগুলোর উত্তর সিগমা ফোর্সকে ঠেলে দিল পঞ্চদশ শতকের স্প্যানিশ ইনকুইজিশনের শতাব্দী পুরনো কিংবদন্তির মুখে। মানব ইতিহাসের কুখ্যাততম মধ্যযুগীয় লিপি ‘হ্যামার অভ উইচেস’-এর গোলকধাঁধা ঘেঁটে বের করতে হবে এমন কিছু সত্যি, যা প্রতিষ্ঠিত বর্তমানকেও দাঁড় করাবে সন্দেহের সামনে।
এবং সবশেষে হাজির হবে কালজয়ী এক প্রশ্ন, ‘আত্মা কী?’

অপরদিকে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স জগতের কালজয়ী আবিষ্কার দখলে নিতে মরিয়া একের-পর-এক সংগঠন। পরিবারের সদস্যদের বাঁচাতে চাইলে গ্রে আর মঙ্ককেও শামিল হতে হবে ইঁদুর-দৌড়ে।

সফল হতে পারবে তো সিগমা ফোর্স?

দ্য লাস্ট ওডেসি

বিশ্বখ্যাত দুই মহাকাব্য—ইলিয়াড এবং ওডেসি। এই দুই মহাকাব্যের কতটুকু ইতিহাস-নির্ভর? আর কতটুকুর জন্ম হয়েছে মানব কল্পনার গহীন থেকে?
যদি কল্পনাই হয়ে থাকে, তাহলে কেন বরফের রাজ্যে আটকা পড়া আরব বজরায় পুরাণের দানোদের হাতে খুন হতে হবে একজন বিজ্ঞানীকে?
যদি বাস্তব হয়, তাহলে কোথায় সেই সাইক্লপস? কোথায় সারবেরাস? মিনেটর? অন্য সব দানো?
বজরা-রহস্য সমাধানে গ্রিনল্যান্ডে গিয়ে অপহৃত হলো ড. ইলেনা কারগিল। আরেকটা পরিচয় আছে ওর—সে সিনেটর কারগিলের মেয়ে।
বান্ধবীকে উদ্ধার করতে সেখানে পা রাখল মারিয়া, সঙ্গে কোয়ালস্কি। ওদের সঙ্গে যোগ দিল গ্রে এবং শেইচানও।
বনু মুসা নামের রহস্যময় এক সঙ্ঘ দেখা দিল দৃশ্যপটে। ওদের ধারণা-ওডিসিয়াসে বর্ণিত গল্পের অনেকটাই সত্যি। মহাপ্রলয়কে ত্বরান্বিত করার মানসে সেই দানবদেরকে হাতে পেতে চায় তারা।
মুখোমুখি দুই আদর্শ নিয়ে খাড়া হলো সিগমা আর বনু মুসা।
কিন্তু গ্রেরা জানে না, এই নাটকের রয়েছে আরো অনেক কুশীলব।
টারটারাস কি সত্যি? নাকি হোমারের কল্পনা?
সেই প্রশ্নের উত্তর লেখা আছে দ্য লাস্ট ওডিসির পাতায়।

আনরেস্ট্রিকটেড অ্যাক্সেস

নিউ ইয়র্ক টাইমস #১ বেস্টসেলার জেমস রলিন্সের অসাধারণ কিছু ছোটগল্প ও একেবারে নতুন একটি নভেলা নিয়ে সাজানো হয়েছে এই বইটি। সব মিলিয়ে মোট বারোটি গল্প পাচ্ছেন জেমস রলিন্সের এই বইতে।

আনরেস্ট্রিকটেড অ্যাক্সেসের মূল আকর্ষণ সান ডগস গল্পটি। সনোরা মরুভূমিতে হেঁটে বেড়াবার সময়, আচমকা শোনা একটা গুলির শব্দ মারাত্মক বিপদের দিকে ঠেলে দিল টাকার ও কেইনকে। অ্যারিজোনার স্থানীয় গোত্রগুলোর লুকিয়ে রাখা এক সত্য, যা প্রকাশিত হলে বদলে যাবে ভবিষ্যৎ-হুমকির মুখে ফেলে দিল দুই আত্মার বন্ধু, কেইনের সঙ্গে টাকারের সম্পর্ককে।

অন্য গল্পগুলোর মাঝে আছে: দ্য পিট, যার কেন্দ্রে আছে অপহৃত এক কুকুর, যাকে মেরে-পিটে নামিয়ে দেয়া হয়েছে কুকুর-যুদ্ধের রিঙে; আছে ট্যাগার, যে গল্পের মাধ্যমে জেমস রলিন্সের লেখা ফ্যান্টাসির স্বাদ পাবেন প্রিয় পাঠক। সেই সঙ্গে সিগমা ফোর্সের গল্প: দ্য মিডনাইট ওয়াচ, দ্য স্কেলেটন কী, ট্র্যাকার, কোয়ালস্কি’স ইন লাভ তো থাকছেই।

আর থাকছে দি অর্ডার অভ দ্য স্যাঙ্গুইনস সিরিজের দুটো গল্প: ব্লাড ব্রাদার্স এবং সিটি অভ স্ক্রিমস।
রলিন্সের ভক্ত হলে, অ্যাডভেঞ্চার, রহস্য, ইতিহাস, আর বিজ্ঞানের মিশেলে লেখা গল্পের সংকলন, আনরেস্ট্রিকটেড অ্যাক্সেস হাতে না নিয়ে উপায় নেই।

কিংডম অভ বোনস

শুরুটা হলো…আফ্রিকায়।

কঙ্গোর ছোট্ট একটা গ্রামে, জাতিসংঘের পাঠানো একটা দল আবিষ্কার করে বসল অসম্ভব রকমে বিপজ্জনক একটা ব্যাপার। অজানা এক শক্তি ছেলেখেলা করছে বিবর্তন নিয়ে। নারী, পুরুষ, শিশু—একে-একে সবাই পরিণত হচ্ছে প্রাণহীন মূর্তিতে। তাদের চারপাশের প্রকৃতি—গাছপালা আর পশুপাখি—চোখের পলকে হয়ে উঠেছে আরও ধূর্ত, আরও হিংস্র। তারা বিবর্তিত হচ্ছে চোখ ধাঁধানো গতিতে। শুধু কঙ্গো নয়, পুরো আফ্রিকাতেই আচম্বিতে ছড়িয়ে পড়ছে এই রূপান্তর; হুমকি দিচ্ছে বৈশ্বিক তাণ্ডবের।
কিন্তু এর পেছনে কারণটা কি প্রাকৃতিক? নাকি অন্য কেউ নাড়ছে কলকাঠি?

কেন এই আচানক নৃশংসতা?

এদিকে কমান্ডার গ্রে পিয়ার্স এবং তার দল, সিগমা ফোর্স, অভাবনীয় সব কিছুর জন্যই প্রস্তুত। নিজেকে চড়া মূল্য দিতে হলেও, পৃথিবীকে তারা রক্ষা করে এসেছে এতদিন। কিন্তু এই বুদ্ধিমান, বিজ্ঞানী-কাম যোদ্ধারাও এই হুমকির আগা-মাথা কিছুই বুঝতে পারছে না…তাই তারা এটাও জানে না—কীভাবে রুখতে হবে আগ্রাসনকে। ওয়াশিংটন ডি.সি. থেকে শুরু করে তারা ছুটে গেল আফ্রিকার ঘন জঙ্গলে—জবাব খোঁজার মানসে।
কিন্তু আবিষ্কার করল, শিকারি হয়ে গেলেও কখন যেন নিজেই বনে গেছে শিকার!

প্রকৃতি-মাতা কি তাহলে—রক্তিম দাঁত আর রক্তাক্ত নখরের সাহায্যে—মানবজাতির ধ্বংস রচনায় মন দিয়েছে?

টাইডস অভ ফায়ার

দ্য টাইটান প্রজেক্ট—অস্ট্রেলিয়ার উপকূলে অবস্থিত এই আন্তর্জাতিক গবেষণা স্টেশন আবিষ্কার করে বসল মৃতপ্রায় এক সাগরে, অদ্ভুত প্রাণবৈচিত্রময় অঞ্চল। সেখানকার প্রবালগুলো বর্তমান সব বৈজ্ঞানিক ধারণাকে বুড়ো আঙুল দেখালেও, বহন করছে অভাবনীয় এক ভবিষ্যতের প্রতিশ্রুতি।

কিন্তু ঘটনাপ্রবাহে ওই এলাকার একটা সামরিক সাবমেরিন নষ্ট হলে শুরু হয় নৃশংস আক্রমণ। ফলশ্রুতিতে দেখা যায় ভূতাত্ত্বিক বিপর্যয়, যা পুরো অঞ্চলটাকেই অস্থিতিশীল করে তোলে।
প্রচণ্ড ভূমিকম্প, আগ্নেয়গিরির অগ্নুৎপাত আর মারাত্মক সুনামি সাক্ষ্য দিচ্ছে—আরও বড়ো বিপর্যয় আসন্ন.. কেননা সাগরের বেশ কয়েক মাইল নিচ থেকে মাথাচাড়া দিতে চাইছে এমন একটা কিছু, যা আত্মগোপন করে ছিল বিগত একটা সহস্রাব্দ ধরে।

ভয়ানক এক ভবিষ্যত থেকে নিজেদেরকে রক্ষা করতে চাইলে গ্রে পিয়ার্স আর সিগমা ফোর্সকে এমন এক চাবি খুঁজে বের করতে হবে, যা সমাহিত আছে অতীতে… লুকানো আছে অ্যাবোরিজিনাল পুরাণের গহিনে।

তবে সিগমা যা উন্মোচিত করবে তা আরও বেশি ভীতিকর—এমন কিছু একটা যা হয়তো মানবতার ভিত্তিকেই নাড়িয়ে দেবে।

Dərinlik

Yer üzü qara torla örtüldüyü vaxt Günəşin güclü partlayışı bir çox təbii fəlakətlərə yol açdı.Zəlzələlər və vulkan püskürmələri Yer kürəsini titrətdi. Alim Cek Kirkland güman edir ki, bu kataklizmaların səbəbi hansısa yolla okeanın dibimdə tapılmış qəribə kristallik sütunlarla bağlıdır.Bu sütunlarda cızılmış sirli yazılar on iki min il əvvəl yaşamış qədim xalq tərəfindən bizlərə nəyinsə baş verəcəyini çatdırmaq istəyir. On birinci əsrin ikinci yarısında ingilis kralı Fateh Vilhelm özünün yeni torpaqlarının ətraflı təftişinin aparılmasını əmr etdi. Bu cəhdlərin nəticəsi olaraq, “İngiltərənin torpaq siyahısı” adını almış – orta əsrlərdəki həyat tər

burağan

Esrarengiz bir patlama, Londra’da bir müzede bulunan eski eserlerden birini yok eder ve tüm dünyadaki gizli örgutlerde tehlike çanlan çalmaya başlar.

Bu Qiyamət Açar

On birinci əsrin ikinci yarısında ingilis kralı Fateh Vilhelm özünün yeni torpaqlarının ətraflı təftişinin aparılmasını əmr etdi. Bu cəhdlərin nəticəsi olaraq, 

Stay Connected to the Story

Sign up and be in the know about upcoming releases, exclusive news, tour appearances, virtual tours, research clues contests and giveaways.